Wednesday, May 31, 2017

বাংলাদেশের বাঙ্গালীর প্রানের উৎসব

পহেলা বৈশাখ কি এটা কাদের জন্য??
আসুন জেনে নেই মুসলিমদের জন্য পহেলা বৈশাখ পালন করা কেন হারাম??
নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরতের পর মদীনা শরীফ গিয়ে ঐ এলাকাবাসীর দুটি উৎসব বন্ধ করেছিলেন। একটি হচ্ছে, বছরের প্রথম দিন উদযাপন বা নওরোজ; অন্যটির নাম ছিলো ‘মিহিরজান’ এ উৎসবের দুটির বিপরীতে চালু হয় মুসলমানদের দুই ঈদ।
নওরোজ বা বছরের প্রথম দিন পালন করার রীতি ইসলামে নেই, এটা পার্সী মজুসীদের (অগ্নিউপাসক) অনুকরণ।
এ সম্পর্কে হাদীস শরীফে এসেছে- যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্য অনুকার ও গ্রহণ করে সে তাদের দলভুক্ত। তাই যে কোন নওরোজ সেটা থার্টি ফাস্ট নাইট হোক, পহেলা নববর্ষ হোক কিংবা পহেলা মুহররম হোক, বিধর্মী রীতি হিসেবে প্রতেকটি ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এ সম্পর্কে (১) ইমাম ফখরুদ্দীন উসমান বিন আলী আয যাইলায়ী বলেন:- নওরোজ ও মেলার নামে কিছু দেয়া নাজায়েয। এ দুই দিনের নামে প্রদত্ত হাদিয়া হারাম; বরঞ্চ কুফর। (গ্রন্থ – তাবইনুল হাকায়েক : ৬/২২৮)
(২) ইমাম হাফস কবীর রহমতুল্লাহি বলেন:-
(ক) নওরোজ বা বছরের প্রথম দিন উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিম ও দান করে, তবে তার ৫০ বৎসরের আমল থাকলে তা বরবাদ হয়ে যাবে।
(খ) যে ব্যক্তি নওরোজের দিন এমন কিছু খরিদ করল যা সে পূর্বে খরিদ করত না, এর মাধ্যমে সে যদি ঐ দিনকে সম্মান করতে চায় তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।
(৩) হাম্বলি মাযহাবের ফিকাহর গ্রন্থ ‘আল- ইকনা’ তে বলা হয়েছে- “কাফিরদের উৎসবে যোগদান করা, সেই দিন উপলক্ষে বেচা- বিক্রি করা ও উপহার বিনিময় করা হারাম ।
উপরক্ত দলিল দেখলে এটা সহজেই বুঝা সম্ভব, থার্টি ফাস্ট নাইট, পহেলা নববর্ষ,
(পহেলা মুহররম) শুধু পালন করা হারাম নয়, বরং ঐ দিবস উপলক্ষেঃ
ক) কোন মুসলিম কাউকে শুভেচ্ছা জানানো,
খ) কোন মুসলিম ঐ দিবস উপলক্ষে কোন অফার দিলে।
গ)কোন মুসলিম ঐ দিবস উপলক্ষে বোনাস গ্রহণ করা এটা সেটা গ্রহণ করা।
ঘ) কোন মুসলিম ঐ দিবস উপলক্ষে কেনাবেচা করা,
ঙ)কোন মুসলিম ঐ দিবস উপলক্ষে খাদ্য গ্রহণ করাও হারাম।
এবং ক্ষেত্র বিশেষে শিরক হয়ে থাকে।
 মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হারাম পহেলা বৈশাখ থেকে হেফাজত করুন। আমিন।
Share: